১) ব্যাক্তিত্ব বিকাশ :- ছোটোবেলা থেকেই শিশুদের খেলাধুলার প্রতি আকৃষ্ট করা প্রয়োজন। খেলাধুলার মাধ্যমে শিশুদের শারীরিক, মানসিক এবং ব্যাক্তিত্ব বিকাশ হয়।
২) স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা :- শিশুদের মধ্যে অনেকেরই মোটা হওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।এসব ক্ষেত্রে যে সকল শিশুরা যারা বেশি করে খেলাধুলার মধ্যে সক্রিয় থাকে, বিশেষ করে স্কুলের পরে, তাদের শরীরের ওজন স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
৩) চোখ ভালো থাকা:- যেসব শিশুরা বাইরে খেলাধুলা করে, বিশেষ করে সংগঠিত খেলাধুলা করে, তাদের দৃষ্টিশক্তির সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম থাকে।
৪) দক্ষতা লাভ করা :- খেলাধুলায় অংশ গ্রহণকারী শিশুরা কোনো এক বিশেষ খেলার প্রতি দক্ষতা লাভ করে।
৫) সামাজিক দক্ষতার উন্নয়ন :- বেশির ভাগ সময় দলগত খেলায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে অন্যদের সাথে কাজ করা এবং তাদের প্রতি বিশেষ এক ভালোলাগা ও ভালোবাসা তৈরি হয়।
৬) আত্মবিশ্বাস লাভ করা :- সাফল্যের মধ্য দিয়ে দলের একজন সদস্য এবং একজন ক্রীড়াবিদ হিসাবে নিজেকে তৈরি করার মাধ্যমে আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়।
৭) ক্রীড়াবিদ হিসেবে নিজেকে তৈরি করা :- খেলার নিয়মগুলি শেখা, কোচ এবং রেফারির প্রতি শ্রদ্ধা এবং কোনো খেলায় হেরে যাওয়ার পরেও কীভাবে নিজেকে শান্ত ও ইতিবাচক রাখা যায় সে শিক্ষা লাভও জীবনের মূল্যবান শিক্ষা।
৮) মজা এবং উপভোগ করা :- খেলাটাকে ঠিক মতো গ্রহণ করতে পারলে তার মধ্য দিয়ে অনেক মজা পাওয়া যায় এবং তা উপভোগ করা যায় ।
৯) বন্ধুত্ব লাভ :- খেলা ধুলার মাধ্যমে অনেক বন্ধু লাভ হয়। এছাড়া খেলাধুলার সূত্রে ভবিষতে ভবিষ্যতে নানান জায়গায় ও দেশ বিদেশে ঘুরে বেড়ানোর ফলে সেখানকার কৃষ্টি ও সংস্কৃতি জানা যায়।
